1. [email protected] : Chattolar Alo :
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
“নিরাপদ সড়ক চাই” লোহাগাড়া শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন ভূমি সেবা সহজিকরণ করার লক্ষ্যে গণশুনানি করলেন লোহাগাড়ার এসিল্যান্ড বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন চট্টগ্রামে লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু বান্দরবানে ২৪ তম শান্তি চুক্তির বর্ষপূর্তি উদযাপন চট্টগ্রামে বিশ্ব এইডস দিবস পালিত লোহাগাড়া চুনতি আরকান সড়কে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে: স্পিকার বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে : রাষ্ট্রপতি  বান্দরবানেও গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া করা লক্ষ্য মানববন্ধন।

সঠিক সংক্রমণে সঠিক এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে ঃ উপ-পরিচালক(স্বাস্থ্য)

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

 

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের উদ্যোগে বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ (১৮-২৪ নভেম্বর) ২০২১ এর সমাপনী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা আজ ২৪ নভেম্বর ২০২১ ইংরেজি বুধবার সকাল ১১টায় নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন লয়েল রোডের কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্টিত হয়। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিডিসি’র রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কন্টেইনমেন্ট, ভাইরাল হেপাটাইটিস ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর সহযোগিতায় এবারের সচেতনতা সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-‘হাক সচেতনতার বিস্তার, চাই এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স থেকে নিস্তার’। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুমন মুৎসুদ্দী ও সহকারী পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. কমরুল আজাদ। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপ-পরিচালক (স্বাস্থ্য)। সভায় বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও মেডিকেল অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার পূর্বে বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ-২০২১ উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, সব রোগে এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয়না, আবার বিনা প্রয়োজনে কোন ধরণের এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবেনা। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক সংক্রমণে সঠিক এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে। এন্টিবায়োটিকের কোর্স নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন না করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকেনা। এর অপব্যবহার শরীরের জন্য এত মারাত্বক ক্ষতিকর। জ্বর বা জঠিল রোগ হলে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ে পরামর্শ মতে এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ সেবন করতে হবে। এন্টিবায়োটিকের কোর্স নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন না করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকেনা।
তিনি আরও বলেন, সব ওষুধের পার্শ¦ প্রতিক্রিয়া থাকে। শুধু অসুস্থ মানুষ নয়, গবাদি পশু, হাঁস-মুরগী ও মাছের ক্ষেত্রেও নিজে নিজে এন্টিমাইক্রেবিয়াল ওষুধ দেয়া যাবেনা। এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হলে শরীরের ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে যায়। ফলে আর কোন এন্টিবায়োটিক শরীরের জন্য কার্যকর হয়না। এ ব্যাপারে ডাক্তার ও রোগী সাধারণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
সভা অন্যান্য বক্তারা বলেন, এন্টিবায়োটিক শরীরের জন্য খুবই প্রযোজন। কোন্ রোগের জন্য কোন্ ওষুধ তা নিশ্চিত না হয়ে ওষুধ প্রেসক্রাইব না করতে চিকিৎসকদের আন্তরিক থাকতে হবে। রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে এন্টিবায়োটিক দেয়া যাবে কি না তা চিকিৎসককে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা বাঞ্চনীয়। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া সকল প্রকার ওষুধ বিক্রয় থেকে বিরত থাকতে ফার্মেসী মালিকদেরকেও আন্তরিক থাকতে হবে। এন্টিবায়োটিকের উপকারিতা-অপকারিতা সম্পর্কে স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে সচেতন করা গেলে মানুষ এর অপব্যবহার থেকে বিরত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট